প্রসাদ হিসাবে দেওয়া হয় বিরিয়ানি! জানুন ভারতের এই মন্দির সম্পর্কে

9
প্রসাদ হিসাবে দেওয়া হয় বিরিয়ানি! জানুন ভারতের এই মন্দির সম্পর্কে

পুজোর প্রসাদ বলতে আমরা বুঝি দই, কলা,মিষ্টি, কমপক্ষে নকুলদানা। কিন্তু কখনও প্রসাদ হিসাবে যদি আপনি পান বিরিয়ানি? কথাটা শুনে চোখের সামনে ভেসে উঠলো কি লোভনীয় খাদ্যবস্তুর ছবি? হ্যাঁ বিরিয়ানি আমরা সকলেই খুব ভালোবাসি। কোন না কোন উৎসবের হুজুক তুলে নিজেদের রসনা তৃপ্তি মেটাতে সুস্বাদু খাবারটি খেতে আমরা হামেশাই ছুটে যাই রেস্তোরাঁয়। হ্যাঁ এই লোভনীয় বিরিয়ানি প্রসাদ হিসাবে দেওয়া হয় তামিলনাড়ুর মাদুরাই এর কাছে এক বিখ্যাত শিবমন্দিরে। সেখানে প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের দেওয়া হয় চিকেন বিরিয়ানি এবং মটন বিরিয়ানি।

খুব আশ্চর্যের মনে হলেও, ঘটনাটি কিন্তু একেবারেই সত্যি।লোভনীয় বিরিয়ানি প্রসাদ হিসাবে পেতে গেলে আপনাকে যেতেই হবে তামিলনাড়ুর মাদুরাই এর এই মন্দিরে। তাহলেই আপনি পেয়ে যাবেন বাবার মহাপ্রসাদ হিসাবে লোভনীয় বিরিয়ানি।তামিলনাড়ুর মাদুরাই তে ভদাক্কমপত্তিতে মুনিয়ান্ডি স্বামীর মন্দির রয়েছে৷ এই মন্দিরে পূজিত হন মুনিয়ান্ডি, যার অপর আরেক নাম হলো মুনিশ্বর। এই টি শিবের অপর আর এক নাম। এই মন্দিরেই নাকি বছরের-পর-বছর একটি উৎসবের আয়োজন করা হয় যেখানে মন্দিরে আগত প্রত্যেক দর্শনার্থীদের প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় চিকেন এবং মটন বিরিয়ানি।

বিগত ১৯৭৩ সাল থেকে এমনটাই হয়ে আসছে তামিলনাড়ু এই মন্দিরে। প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে শুক্রবার এবং শনিবার এই মন্দিরে এক বিরাট উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবে আগত ভক্তদের দান করা প্রচুর পরিমাণে অর্থে তৈরি করা হয় প্রসাদ। এই সময়ে প্রায ১০০০ কিলোগ্রাম চাল ২৫০ টি খাসি এবং ৩০০ টি মুরগি ব্যবহার করা হয় প্রসাদ তৈরীর জন্য।তাই দিয়েই তৈরি করা হয় বাবা শিবের মহাপ্রসাদ। দূর দূর থেকে যে ভক্তরা এই মন্দির দর্শন করতে আসেন, তাদের প্রত্যেককে বসিয়ে বিরিয়ানি প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়। এমনকি যারা বসে খেতে পারেন না তাদের জন্য প্যাকেট সিস্টেমে বিরিয়ানি দেওয়া হয় এই মন্দিরে।