বাংলার দখলে বঙ্গ বিজেপি নয় কেন্দ্র বিজেপিই একমাত্র ভরসা তাই বঙ্গে আসছেন আরও ৫ কেন্দ্রীয় নেতা

7
বাংলার দখলে বঙ্গ বিজেপি নয় কেন্দ্র বিজেপিই একমাত্র ভরসা তাই বঙ্গে আসছেন আরও ৫ কেন্দ্রীয় নেতা

বাংলা দখলের লড়াইয়ে মরিয়া বিজেপি। যেনতেন প্রকারেণ তৃণমূলকে উৎখাত করে সবুজ পতাকার বদলে বাংলায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় শাসক দল। তবে তাদের ভোট প্রচারে স্ট্র্যাটেজি কিন্তু কিছুটা হলেও অন্য রকম। বঙ্গ বিজেপি নয়, বাংলার ভোট দখলের লড়াইয়ে কেন্দ্রই বিজেপি একমাত্র ভরসা। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা একের পর এক বাংলা সফর করে চলেছেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সংগঠনের হাল হকিকত খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রের পাঁচজন নেতা বাংলায় আসছেন। এরা পাঁচজনই বিজেপি শাসিত পাঁচটি রাজ্যের সাংগঠনিক প্রধান বলে জানা গেছে। গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরা, হিমাচল প্রদেশ এবং হরিয়ানায় বিজেপির সাংগঠনিক নেতৃত্বদের বাংলার ভোট মঞ্চে নামাতে চাইছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্বাচন উপলক্ষে কেন্দ্রের এই বিশেষ ব্যবস্থাপনা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে কিন্তু বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাকে কার্যত পাঁচটি জোনে ভাগ করে নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির একেক জন সাংগঠনিক নেতাকে আলাদা আলাদা জোনের জিত হাসিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গুজরাটে বিজেপি সাধারণ সম্পাদক ভিখুভাই দালসানিয়া পেয়েছেন নবদ্বীপ জোনের দায়িত্ব। উত্তরপ্রদেশের সংগঠন সম্পাদক সুনীল বানসাল কলকাতা জোনের দায়িত্ব পেয়েছেন। ত্রিপুরার সংগঠন সম্পাদক উত্তরবঙ্গ জোনের দায়িত্ব সামলাবেন। হরিয়ানার সংগঠন সম্পাদক রবীন্দ্র রাজুকে রাড়বঙ্গ জোনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

হিমাচল প্রদেশের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পবন রানাকে হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর জোনের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ওই পাঁচটি জোনে কেন্দ্রের পাঁচ পর্যবেক্ষককে নিযুক্ত করা হয়েছে। এদিকে রাজ্যের রাজনীতি “বহিরাগত” প্রসঙ্গ নিয়ে উত্তাল। রাজনৈতিক দলগুলিকে এখন এই প্রসঙ্গে রীতিমতো কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি চলছে। তবে কোনো বিরুদ্ধে মন্তব্যকেই গুরুত্ব দিতে রাজি নয় বিজেপি। কেন্দ্রের নেতৃত্বেই বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখছে গেরুয়া শিবির।