ত্রিপুরাতে ঢোকার আগেই জোর ধাক্কা তৃণমূল শিবিরে

51
ত্রিপুরাতে ঢোকার আগেই জোর ধাক্কা তৃণমূল শিবিরে

বাংলা জয়ের পর দেশের এ লক্ষ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম টার্গেট হলো ত্রিপুরা। সেই ভাবেই তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথমেই বিপত্তির মুখে পড়তে হলো তাকে। ত্রিপুরা তে ঢুকার আগেই হোঁচট খেতে হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। আজ একুশের ভার্চুয়ালি মমতা কথা সম্প্রসারণ এর অনুমতি পেলেন না তিনি।

মুকুল রায় তৃণমূল আসার পর ত্রিপুরার ঘাসফুল শিবির ক্রমশই সক্রিয় হচ্ছিল। আগের মাসে ত্রিপুরা থেকে কলকাতায় খবর এসেছিল, জোট বেঁধে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করতে। একুশের শহীদ দিবস উপলক্ষে বাংলার পাশাপাশি ত্রিপুরাতে বেশ ভালই উত্তেজনা কাজ করছিল।

কলকাতায় এসে ত্রিপুরার নেতারা ঠিক করে গিয়েছিলেন, আজকের অনুষ্ঠানে কি কি পরিকল্পনা হতে চলেছে। কথা ছিল আজ ভার্চুয়ালি ত্রিপুরায় ঢুকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সশরীরে অভিষেক ত্রিপুরায় ঢুকবেন আগস্ট মাসে। কিন্তু প্রথম দিনই হোঁচট খেতে হল তাকে। একুশের শহীদ দিবস সম্প্রসারনের যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাতে সম্মতি দেয় নি ত্রিপুরা সরকার। আজ দুপুর থেকে জারি করা হয়েছে কারফিউ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য রাখার সময় কোন রকম অনুমতি পেলেন না ত্রিপুরা সরকারের তরফ থেকে। জেলাশাসকের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি তাই কোথাও স্ক্রীন লাগানো যায়নি। ত্রিপুরার এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছে, আপাতত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কোথাও জামায়াত করা হবে না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এটি ছিল ভার্চুয়ালি বক্তব্য পেশ। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই সময়ে কারফিউ শুরু করে অনেকেই রাজনীতি চাল হিসেবে ধরে নিচ্ছেন। বাংলায় যেভাবে গেরুয়া শিবির কে কুপোকাত করেছে তৃণমূল সরকার, তাতে ভবিষ্যতে তৃণমূল সরকারকে আরো অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।