ব্লুমুনের পর এবার দেখা যাবে বিভার মুন, সাথে থাকবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ

26
ব্লুমুনের পর এবার দেখা যাবে বিভার মুন, সাথে থাকবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ

আজ হয়তো রাতের আকাশ আলোয় ভেসে যাবে একেবারে, উপচে পড়বে মলিন চাঁদের আলো। কারণ একটাই, আজ যে বছরের উজ্জ্বলতম জ্যোৎস্না। আর সে কারণেই চাদের ঔজ্জ্বল্য একেবারে আকাশ ছোঁয়া। তবে আমেরিকায় কিন্তু রয়েছে এর একটি গলা ভরা নাম, বিভার মুন। ২০২০ কথা যদি বলা যায় সত্যিই একটি অবাক করা বছর। সবকিছু একেবারে আচমকা, গত অক্টোবরের পরে ফের বিশ্ববাসী দেখতে চলেছে নভেম্বরের এই সুপার মুন।

কিছুদিন আগেই ব্লুমুনের সাক্ষী ছিল বিশ্ববাসী এবার আবার বিভার মুন। তবে এই পূর্ণিমার সাথে ঘটবে আরেকটি ঘটনা, আজ পূর্ণিমার দিনে চাঁদ একেবারে গোল থালার মত ঔজ্জ্বল্য ছড়িয়ে দেবে সারা আকাশে। কিন্তু তারপরেই চাঁদের কিছুটা ঢেকে যাবে পৃথিবীর ছায়ায়, যার ফলে দেখা যাবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ যাকে পেনামব্রা চন্দ্রগ্রহণ বলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

আপাতত বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই পেনামব্রা চন্দ্রগ্রহণ বিশ্বের সব জায়গা থেকে দেখা নাও যেতে পারে, আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার কিছু অংশ থেকে দেখা যেতে পারে এই চন্দ্রগ্রহণ। তবে বিভার মুন নিয়ে যদি কথা বলতে হয়, তাহলে প্রথমেই বলতে হয় বিভার মুন সুপারমুন’ এর অন্তর্গত। সুপার মুন কোন কোন বছর দেখা নাও যেতে পারে। পূর্ণিমা মানেই উজ্জ্বল চাঁদ, কিন্তু উজ্জ্বল চাঁদ মানেই সুপারমুন নয়। সুপারমুন নির্ভর করে চাঁদের অবস্থান, সূর্য থেকে চাঁদের পারস্পরিক দূরত্ব ও নিজের কক্ষপথের ওপর।

এই চাঁদ যখন নিজের কক্ষপথে করে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর একেবারে কাছে চলে আসে, তখন তাকে বলা হয় পেরিজি। আর এই পেরিজি ঘটার সময়েই হয় সুপারমুন। আমরা অনেক ছোটবেলায় পড়েছি পূর্ণিমার কারণেই হয় জোয়ার ভাটা, আর সেই আকর্ষণ আরো বেশি হয় যখন পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব সবথেকে কম থাকে। পূর্ণিমা মানেই চাঁদ, পৃথিবী, সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। আর সেই কারণেই চাঁদ ও সূর্যের সমান আকর্ষণে জোয়ার ভাটা হয়।