বিয়ের পর সতর্ক থাকুন এইসব বিষয়ে, অন্যথায় শেষ হয়ে জেতে পারে দাম্পত্য জীবন

11
বিয়ের পর সতর্ক থাকুন এইসব বিষয়ে, অন্যথায় শেষ হয়ে জেতে পারে দাম্পত্য জীবন

থালা বাসন একসাথে থাকলে ঠোকাঠুকি লাগবেই। তেমনই প্রত্যেকটি দাম্পত্য জীবনে কিছু না কিছু সমস্যা লেগেই থাকে। তবে সমস্যা থাকলেও তার সমাধান হয়ে যায় সময়ের সাথে সাথে। একে অপরের প্রতি বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধাবোধ থাকলে কোন সমস্যা এই সমস্যা বলে মনে হয় না। সাময়িক ভাবে একে অপরের প্রতি তিক্ততা আসলেও তা পরবর্তী সময়ে ঠিক হয়ে যায়।

তারে দাম্পত্য জীবনে এমন কিছু সমস্যা আছে যার কোনদিন সমাধান পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমাধান করার থেকে সম্পর্কের হাল ছেড়ে দেওয়াটা অনেক বেশি সহজ মনে হয় দম্পতির কাছে। চলুন আজকে এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন সমস্যা দাম্পত্য জীবন শেষ করে দিতে পারে।

অকারনে তর্ক করা: কখনো কখনো আপনাদের মতামত যে ভিন্ন হবে তা হওয়াটাই স্বাভাবিক। দুজনে সম্পূর্ণ আলাদা পরিবার থেকে আসার ফলে মতামত ভিন্ন হতে পারে। তবে একসময় গিয়ে সেটা ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু যদি আপনার সঙ্গী অথবা সংগীনি ভেবে ফেলেন যে, তার মত আমার সব সময় ঠিক হবে, আর আপনার মতামত সব সময় ভুল। তাহলে সম্পর্কে বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়ে যেতে পারে।

সম্পর্কে বিশ্বাস নেই: যদি আপনার সঙ্গী বারবার কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে মনে করতে হবে যে আপনার প্রতি আর তার কোন টান নেই। তাই এই সমস্যার কোন সমাধান এরপর থাকে না।

সঙ্গী কিভাবে সময় কাটাচ্ছেন তা জানাতে অনিচ্ছুক: সকলের আলাদা জীবন থাকে, এবং সকলে তা আলাদা ভাবে কাটান, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার থেকে দূরে তিনি কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন, তা যদি আপনার থেকে বারবার লুকিয়ে যান, তাহলে সত্যিই চিন্তার বিষয়।

একে অপরের প্রতি বিতৃষ্ণা: সম্পর্কে ঝগড়া অশান্তি লেগেই থাকে, কিন্তু কোনভাবে যদি আপনার প্রতি তার বিতৃষ্ণা তৈরি হয়ে যায়, তাহলে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা খুবই কঠিন হয়ে যায়।

যৌনাকাঙ্খাই অমিল: আপনার প্রতি যদি আপনার সঙ্গেই যৌনমিলনে উদাসীন থাকে, তাহলে সম্পর্ক নড়বড়ে হয়ে যায়। উদাসীন সঙ্গীর সঙ্গে থাকতে থাকতে একসময় আপনার নিজের প্রতি আত্মসম্মান কমতে শুরু করে দেয়।

নার্সিসিস্ট পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার: আপনার সঙ্গীর যদি এই রোগটি থাকে তাহলে, আপনার সম্পর্ক বেশিদিন এগোতে পারবে না। যাদের মধ্যে এই রোগটি থাকে, তারা নিজেকে অন্য কারোর থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। নিজের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে চান। এরকম চলতে থাকলে অপর ব্যক্তিটি হীনমন্যতায় ভুগতে পারে।

একে অপরের সঙ্গে আলোচনা: যেকোনো বিষয়কে যদি আপনি খোলা মনে তার সাথে আলোচনা করতে পারেন, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে তৈরি হয়ে যাবে দূরত্ব।