পার্টিতে মদের বদলে সার্জিক্যাল স্পিরিট খেয়ে একসাথে ৫ জনের মৃত্যু হলো

80
পার্টিতে মদের বদলে সার্জিক্যাল স্পিরিট খেয়ে একসাথে ৫ জনের মৃত্যু হলো

সার্জিকাল স্পিরিটে মৃত্যু করোনা পরিস্থিতিতে মদের দোকান খোলা নিয়ে কিছুদিন আগেই বিক্ষোভ ছড়াচ্ছিল প্রত্যেকটি রাজ্য। রীতিমতো লাইন দিয়ে মদ কিনতে দেখা যায় নাগরিকদের। পুলিশ প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও তাকে অপরের সাথে গায়ে গা ঠেকিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নাগরিকরা। এখন সেই অবস্থা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। কিন্তু মদ না পেয়ে সার্জিকাল স্পিরিটে নেশা করার খবর বোধহয় এই প্রথম।

এই ঘটনা ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে কাশি মোক্তা গ্রামে। হাতের কাছে মদ না পেয়ে সার্জিকাল স্পিরিটে নেশা করছিলেন বন্ধুরা। তাই পরিণতি যা হবার তাই হয়েছে। স্পিড থেকে বিষক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। সূত্রের খবর ওই পাঁচ জনের মধ্যে একজন বন্ধু বাড়িতে পার্টির আয়োজন করেছিল। শনিবার রাতে সবাই একসাথে বন্ধুর বাড়িতে নেশা করবেন ঠিক করেন। কথামতো তাই করেন এবং বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু ভোর হবার আগেই সকলে একসাথে অসুস্থ হয়ে পড়েন। রবিবারই তিনজন মারা যান। সোমবার বিশাখাপত্তনমের কিং জর্জ হাসপাতালে আরো দুজন মারা গিয়েছেন। আরো দুই বন্ধু চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ জানায় পি আনন্দ নামে এক ব্যক্তি এক ওষুধ সংস্থায় কাজ করতেন।

তিনি বাড়িতে সার্জিকাল স্পিরিট এনে রাখতেন। বন্ধুদের স্পিরিট দিয়ে নেশা করার জন্য তিনি দেখেছিলেন বাড়িতে। ভেবেছিলাম স্পিরিটে নেশা হবে। কথামতো সবাই তাই করে। পার্টি শেষে সবাই সবার বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সকলের অসুস্থ বোধ করতে থাকেন। আনন্দ যার বয়স ৫৫ ও রাজু যার বয়স ৬৫। এই দু’জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় টুকুও পাওয়া যায়নি। রবিবার ভোররাতে বাড়িতেই মারা যান তারা। ওই দিন পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় অন্য আরেক ব্যক্তির। কাশিমোক্তা থানার পুলিশ জানিয়েছেন একটি মামলা রুজু করে তারা তদন্তে নেমেছে। কিন্তু যেহেতু সবাই মৃত তাই কাউকে গ্রেফতার করার ঘটনা এই মামলায় হবে না। কিন্তু ওষুধের দোকান থেকে খতিয়ে দেখা হবে কিভাবে স্পিরিট সরানো হয়েছে। ওষুধের মালিক এই ব্যাপারে কিছু কেন জানতেন না সেই নিয়েও তদন্ত করা হবে।