বাবা হিসেবে যশকে অবশ্যই দশের মধ্যে এগারো দেব আমিঃ নুসরত

31
বাবা হিসেবে যশকে অবশ্যই দশের মধ্যে এগারো দেব আমিঃ নুসরত

বর্তমানে টলিউড জগতের অন্যতম চর্চার বিষয় নুসরত জাহান এবং যশ দাশগুপ্তের প্রেম। নিখিল জৈনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েও নুসরত একসময় সেই বিবাহকে অস্বীকার করে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন। তারপর থেকেই যশ দাশগুপ্ত সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। কিছুদিন আগেই নুসরত মা হয়েছেন। কোল আলো করে এসেছে এক পুত্র সন্তান। তবে সন্তান সুখ তার কাছে যতটা না সুখ ছিল তার থেকে অনেক বেশি ছিল অপমানের। এই গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা কটাক্ষের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদেরকে।

দু মাস আগেই জন্ম হয়েছে নুসরতের সন্তানের। তারই মধ্যে কিছুদিন আগে কাশ্মীর থেকে শ্যুটিং শেষ করে ফিরেছেন তারা। এনা সাহা প্রযোজিত পরবর্তী সিনেমায় দেখা যাবে এই জুটিকে। যদিও ভূস্বর্গের ঠান্ডায় দেখা মেলেনি তাদের সন্তানের। এ বিষয়ে অভিনেত্রী অবশ্য নিজেই জানিয়েছিলেন যে তাঁর বাবা মায়ের কাছেই সেই সময় তাঁর সন্তান ছিল। অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ। কোনো কুমন্তব্যই আজ অব্দি টলাতে পারেনি নুসরতকে। ইতিমধ্যে যশ দাশগুপ্তের সাথে কাশ্মীর ভ্রমণের নানা মুহুর্তের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করেছেন নেট মাধ্যমে।

অভিনয়, সংসার, পুত্র সব মিলিয়ে বেশ ব্যস্ত অভিনেত্রী। আর এখন তো তিনি শুধু অভিনেত্রীই নন, পাশাপাশি বসিরহাটের সাংসদ তিনি। অতএব সব মিলিয়ে নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই তার। মা হওয়ার পর থেকেই যশ ও নুসরতের প্রেম যেন আরো বেড়েছে।

অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত -এর সম্বন্ধে অনেকেই অনেক কিছু জানেন। তবে বাবা যশ দাশগুপ্ত আসলে কেমন সেই নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নুসরত। তিনি বলেছেন, “যশ ইজ অ্যান অ্যামেজিং ফাদার। ও আছে বলেই আমি সবটা সামলে নিতে পারছি। আমি যখন শ্যুটিংয়ে যাচ্ছি ও পুরোপুরি ঈশানকে সামলে রাখছে। আবার ও যখন শুটিংয়ে যাচ্ছে তখন আমি ছেলেকে সামলে রাখছি। এক্ষেত্রে বাবা হিসেবে যশকে অবশ্যই দশের মধ্যে এগারো দেব আমি। কারণ একজন বাবা হিসেবে যতটা করা দরকার ও তার থেকে অনেকটাই এগিয়ে।”

তিনি আরও বলেছেন, “আগের সঙ্গে এখনকার কাজের একটা জিনিসের বদল ঘটেছে। এখন প্যাক -অ্যাপ করে বাড়ি ফেরার জন্য প্রচন্ড তাড়া থাকে। কারণ ঈশান যতটা না আমার জন্য অপেক্ষা করে আমি তার চেয়ে বেশি পাগল থাকি ওকে কোলে নেওয়ার জন্য।”