মারণ রোগের স্বীকার হয়েও একের পর এক রবীন্দ্রসঙ্গীত রেকর্ড করে রীতিমতো সারা ফেলে দিলেন শিল্পী স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত

19
মারণ রোগের স্বীকার হয়েও একের পর এক রবীন্দ্রসঙ্গীত রেকর্ড করে রীতিমতো সারা ফেলে দিলেন শিল্পী স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র সংগীত শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম শিল্পী হলেন স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত। তার গলার সুর যেন কথা বলে। তার মতো রবীন্দ্র সংগীত অনেক কম ব্যক্তি গাইতে পারেন। তার মা সুব্রতা দাস গুপ্ত ছিলেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী দেবব্রত বিশ্বাসের ছাত্রী। অর্থা ছোটবেলা থেকেই গানের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে তার জীবন। সংগীতকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে আঁকড়ে বাঁচতে চান তিনি। তাই হয়তো দীর্ঘ লকডাউনে যখন সবার জীবন স্তব্ধ হয়ে গেছিল, ঠিক তখনই একের পর এক রবীন্দ্রসঙ্গীত রেকর্ড করে ইউটিউবে আপলোড করে গেছেন স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত।

তবে দুর্ভাগ্যজনক ভাবে গত বছর থেকে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। কিন্তু এই মারণ রোগ তার জীবন যুদ্ধকে থামিয়ে দিতে পারেনি। তিনি তার জীবনের সমস্ত দুঃখ এক দিকে সরিয়ে রেখে একের পর এক গান রেকর্ড করে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলে দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো রাখার জন্য তিনি এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত একটি রবীন্দ্র সংগীত ভাইরাল হয়েছে যেখানে তাকে গাইতে শোনা গেছে দয়া দিয়ে হবে গো মোর জীবন ধুতে নইলে কি আর পারব তোমার চরণ ছুঁতে।

এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজা পর্যায়ের গান। এই গানটি গাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। সকলেই এই শিল্পীর সুস্থতা কামনা করে কমেন্ট করে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার পরই তিনি তিরুপতিতে গিয়ে তার সমস্ত চুল দান করে এসেছিলেন। এই নিয়ে তাকে কম ঠাট্টা এবং বিদ্রূপের মুখে পড়তে হয়নি, তবে তিনি সমস্ত কিছুকে উপেক্ষা করে জীবন যুদ্ধে এগিয়ে গেছেন।