ছেলে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ল্যাম্পপোস্টে উঠে বসলেন ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ

10
ছেলে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ল্যাম্পপোস্টে উঠে বসলেন ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ

একাকীত্ব ভীষনই মারাত্মক জিনিস। একটা বয়সের পর মানুষ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে ভীষণ ভাবে। তখন ভরা পরিবার থাকলেও সঙ্গের সঙ্গী অথবা সঙ্গিনীকে ভীষণভাবে কাছে পেতে চান সকলেই। শারীরিক সুখের জন্য বিয়ে নয়, শুধুমাত্র নিঃসঙ্গতা কাটানোর জন্য বিয়ে করেন অনেকেই। তবে সমাজের অগ্রগতির সাথে সাথে অনেকেই নিজের কুসংস্কারাচ্ছন্ন মনকে সরিয়ে রেখেছে। মাঝে মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় ছেলে মেয়েদের অসময়ে বিয়ে দিতে।

তবে সম্প্রতি সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হলো এমন একটি ঘটনা, যা সম্পূর্ণ আলাদা এই সমস্ত ঘটনা থেকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলো এমনই একটি ভিডিও, যা দেখে মানুষ ঠিক করে উঠতে পারছে না তারা হাসবে না কাঁদবে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের ধলপুর জেলায়। সেখানে ৭০ বছরের একজন বৃদ্ধ ছেলে মেয়ে নাতি নাতনি নিয়ে ঘর-সংসার করেন। কিন্তু বহু দিন ধরেই তিনি বিপত্নীক।

নিঃসঙ্গতার ঘেরাটোপে অসহায় হয়ে শেষমেশ তিনি সিদ্ধান্ত নেন বিয়ের। কিন্তু তার বিয়ের প্রস্তাবে রাজী হয়না কেউ। ছেলেরা কেউ বিয়েতে রাজি না হওয়ায় অবশেষে তিনি উঠে বসলেন গ্রামের একটি ল্যাম্পপোস্টে। সকালবেলায় পরিবারের সকলের সঙ্গে ঝগড়া করে তিনি ল্যাম্পপোস্ট উঠে পড়ে ছিলেন, তাকে দেখার জন্য স্বাভাবিকভাবেই সেখানে জড়ো হয়ে গিয়েছিলেন বহু মানুষ। তাদের সকলের কাছে তিনি আর্জি জানান যে, যদি খুব শীঘ্রই তাকে বিয়ে না দেওয়া হয়, তাহলে তিনি আর নামবেন না ল্যাম্পপোস্ট থেকে।

মানুষটির নাম সব্রান সিং। তার বয়স ৭০ বছর। নিঃসঙ্গতার কবলে পড়ে তিনি এমনই একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। ল্যাম্পোষ্টে উঠে তিনি বলেন যদি তাকে বিয়ে না দেওয়া হয়, তাহলে তিনি হাইভোল্টেজ তারে হাত দিয়ে দেবেন। হাত দিতে গিয়েছিলেন তিনি তবে সৌভাগ্যবশত কোনরকম দুর্ঘটনা ঘটেনি সেখানে। বৃদ্ধের পরিবার থেকে আগেই ইলেকট্রিক অফিসে জানান ছিল, যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করে দেওয়া হয় আগে থেকেই।

অবশেষে গ্রামের এক তরুণের কথাতে রাজি হয়ে নেমে আসেন বৃদ্ধ। তবে এখনো যা শুনতে পাওয়া গেছে, বৃদ্ধের বাড়ির লোক রাজি হয়নি তার বিয়েতে। অদূর ভবিষ্যতে পরিবারের সিদ্ধান্ত কি হবে তা সময় বলতে পারবে।