সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমিত না হলেও ৫ দফার একটি ঐক্যমত স্বাক্ষরিত হল দুই দেশের মধ্যে

3
সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমিত না হলেও ৫ দফার একটি ঐক্যমত স্বাক্ষরিত হল দুই দেশের মধ্যে

এখন ভারত চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মধ্যে গতকাল ২ দফায় বৈঠক হয়েছে, কিন্তু বর্তমান বৈঠকেও যে দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে উত্তেজনা প্রশমিত হল না, সেটা কিন্তু স্পষ্ট। কারণ একে অপরের কথা মানতে নারাজ এমনটাই জানা গেছে সূত্রের মাধ্যমে। তবে তাদের মধ্যে ৫ দফায় কিন্তু একটি ঐক্যমত স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটার ওপরে নির্ভর করেই আগামী দিনে দুই দেশকে চলতে হবে বলে জানা গেছে।

এখন ভারত ও চিনের বিদেশ মন্ত্রী দুজনেই রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে। আর সেখানেই দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রীর সাথে বৈঠক হয়েছে ২দফায়। আসলে রাশিয়াতে সাঙ্ঘাই কোঅপারেশনে অর্গানাইজেশনের সামিটে উপস্থিত ছিল সবাই। আর সেখানেই তাদের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, তবে কাজের কাজ হয় নি কিছুই। এই নিয়ে রাশিয়াও অনেকটাই চিন্তার মধ্যে বলেই জানা গেছে, কারণ রাশিয়াও চায় না, কোনোভাবেই যেনো দুই দেশের এই বিবাদ আরও বৃদ্ধি পাক, আর সাঙ্ঘাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন ভেঙ্গে যাক।

এদিকে দুই দফার বৈঠকের পরে, ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়ে দিয়েছেন, আসলে দুই দেশের মধ্যে যে বিবাদ, যে সীমান্তের লড়াই সেটার কারণ একমাত্র চিনা সেনার আগ্রাসন। কারণ তাদের প্ররোচনামূলক কার্যকলাপের দ্বারাই এই উত্তেজনা দিনের পর দিন আরও বেড়ে চলেছে। কারণ তারা এখন সীমান্তে প্রচুর পরিমাণে মোতায়েন করে চলেছে সেনা, যা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রী।

এখানেই শেষ না, এর সাথেই এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, এই সময়ে চিনা সেনারা যা করে চলেছে সীমান্তে, সেটা যে ১৯৯৩ ও ১৯৯৬ সালের দ্বিপাক্ষিক চুক্তিকে লঙ্ঘন ও অসম্মান করা হচ্ছে সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এর পরেই দুই দেশের মধ্যে বিদেশ মন্ত্রকের দ্বারা ৫ টি পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা কিনা দুই দেশের তরফ থেকেই মেনে নেওয়া হয়েছে,

সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা।
সমস্যা বাড়তে পারে এমন কোনও পদক্ষেপ না করা।
সমস্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মেনে চলা
কোনওভাবেই মতপার্থক্যকে বিবাদে পরিণত না করা।
সীমান্তে টহলদারির সময় সমস্ত প্রোটকল মেনে চলা এবং আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।