অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে বাড়ছে এইসমস্ত জটিল রোগ

7
অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে বাড়ছে এইসমস্ত জটিল রোগ

বর্তমান সময়ে সমাজের প্রত্যেকটা মানুষের জীবন একটা চলন্ত গাড়ি হিসেবে পরিণত হয়েছে। দিন থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত প্রত্যেকেই এখন ব্যস্ত নিজের নিজের কাজে, আধুনিক জীবনের অগ্রগতি এতটাই উন্নত হয়েছে যে মানুষের নিজের জন্যই এখন সময়ের পরিমাণ অত্যন্ত কম হয়ে গেছে।

এখন প্রত্যেক সময়ই সঙ্গী হয়ে রয়েছে মোবাইল ফোন এবং যেটি আমাদের জীবনের একটি অঙ্গ হিসাবে পরিণত হয়েছে, সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত সমস্ত ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের সব সময়ের সঙ্গী হিসেবে থাকে। সমস্ত জায়গাতেই আধিপত্য বিস্তার করেছে মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে অনেক বেশি যুক্ত হয়ে পড়েছে গোটা সমাজ এবং সামাজিকভাবে মেলামেশাটা অত্যন্ত কম হয়ে যাচ্ছে সেই কারণেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বর্তমানে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ভীষণ পরিমাণে ঘটছে।

ইউনিভার্সিটি অফ বারেকে একটি নতুন সমীক্ষা করা হয়েছে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে এবং যেখানে যে তথ্যগুলি উঠে এসেছে সেগুলো সত্যিই চিন্তার বিষয়। আজকাল মানুষের জীবন কয়েকটি কমেন্ট, লাইক এবং শেয়ারের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।

তবে এই সীমাবদ্ধতাই শরীরের জটিলতা তৈরি করবে সেটাই প্রকাশ হয়েছে একটি তথ্য ইউনিভার্সিটি অফ বার্থ। এই সমীক্ষা অনুসারে জানা গিয়েছে যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের অনেক অবনতি ঘটে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যতটা দূরে থাকা সম্ভব ততই বৃদ্ধি পাবে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি। এর জন্য পরীক্ষা করা হয়েছিল কিছু জনের ওপরে যারা এক সপ্তাহ ধরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেননি।

এই বিষয়ে ডঃ গবেষকেরা জেফ ল্যাম্বার্ট জানিয়েছেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাত্রে ঘুমতে যাওয়া পর্যন্ত সব সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার স্ক্রল করাটাই এখন মানুষের কাছে অনেক বেশি প্রাধান্য লাভ করেছে, আসলে বাস্তব জীবনে সোশ্যাল মিডিয়া মানসিক উদ্বেগ প্রচুর পরিমাণে বাড়ায়। যদি ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে সোশ্যাল মিডিয়ার স্ক্রল করা হয় তবে অনেক নেতিবাচক প্রভাব শরীরের ওপর পড়বে, যার ফলে ঘটতে পারে শরীরে নানান পরিবর্তন।

মানসিক অবস্থার অবনতির সাথে সাথে তার চোখেও পড়তে পারে খারাপ প্রভাব। মোবাইলে থেকে যে রশ্মি নির্গত হয় সেটা চোখ এবং ত্বকের ক্ষতি করে। বেশিরভাগ মানুষের অভ্যাস মোবাইল মাথার কাছে রেখে ঘুমানো কিন্তু এর জন্য ঘটতে পারে বড় বিপদ, কারণ এই মোবাইল থেকে কিছু কম্পোনেন্ট নির্গত হয় যেটি মাথার ক্ষতি করে এর ফলে মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের অনেক অবনতি ঘটতে থাকে সেই জন্যেই শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই বন্ধ করা উচিত অতিরিক্ত ফোনের ব্যবহার।