ফাইজারের টিকা নেওয়ার পরেই মৃত্যু হল ২৩ জনের, অসুস্থ অনেকেই

12
ফাইজারের টিকা নেওয়ার পরেই মৃত্যু হল ২৩ জনের, অসুস্থ অনেকেই

কেন্দ্রের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার থেকে দেশজুড়ে করোনা টিকাকরণ পর্ব শুরু হয়েছে। সেরাম ইন্সটিটিউটের কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন, এই দুটি ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন মিলেছে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করেছেন। স্বভাবতই দেশবাসী টিকাকরণ নিয়ে বেশ আশাবাদী। তবে এরই মাঝে নরওয়ে থেকে যে খবর ভেসে এলো, তাতে টিকাকরণ নিয়ে আতঙ্ক হওয়াটাই স্বাভাবিক।

গত বছরের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে নরওয়েতে গণহারে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই টিকা নেওয়ার পর সেই রাষ্ট্রের অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতদের সকলেরই বয়স ৮০ এর ঊর্ধ্বে। শুধু তাই নয়, টিকা নেওয়ার পর অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়েই সারাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যে ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে তাদের মধ্য থেকে অন্তত ১৩ জনের শরীরেই ডায়েরিয়া, জ্বর ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ পাওয়া গিয়েছিল। এই উপসর্গগুলি ফাইজারের টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে নথিভুক্ত আছে। তাই বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ফাইজারের টিকা নিয়েই রোগীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, এমনকি তাদের মৃত্যুও ঘটছে। অনেকেই জানাচ্ছেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার পর তাদের ভ্যাকসিন নেওয়ার স্থানে ব্যথা রয়েছে।

নরওয়ের প্রশাসন আপাতত বেশি বয়স্কদের ভ্যাকসিন প্রদানের ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করেছে। নরওয়েতে প্রথম পর্যায়ে ৩০ হাজার মানুষের শরীরে করোনার প্রথম ডোজ প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিবছর ২০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল ফাইজার সংস্থা। তবে আপাতত পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১৩০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এমনকি ইউরোপে ভ্যাকসিন রপ্তানিও কমিয়ে আনা হয়েছে।