“কন্যাশ্রী” প্রকল্পের পর এবার বিশ্বসেরার তকমা পেল বাংলার “সবুজ সাথী প্রকল্প”

4

রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছে আবারও গর্বিত বাংলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “কন্যাশ্রী” প্রকল্পের পর এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছ থেকে বিশ্বসেরার তকমা পেল বাংলার “সবুজ সাথী প্রকল্প”। সম্প্রতি, রাষ্ট্রসঙ্ঘের অনুমোদিত সংস্থা ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটির তরফ থেকে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রসংঘ সূত্রে খবর, বিশ্বের প্রায় ১৬২ টি দেশ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

১৬২টি দেশ থেকে প্রায় ১৬০০টি প্রকল্পের উপর চলে সমীক্ষা। যার মধ্যে থেকে বিশ্বের অন্যান্য সমস্ত প্রকল্পকে পেছনে ফেলে দিয়ে, প্রথম স্থান অধিকার করে নেয় বাংলার “সবুজ সাথী প্রকল্প”। শীর্ষ স্থান লাভ করে রাষ্ট্র সংঘের তরফ থেকে “হুইলস ফর চেঞ্জ” আখ্যা লাভ করেছে “সবুজ সাথী”। রাষ্ট্রসঙ্ঘের তরফ থেকে আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্টের ওএসডি সঞ্জয় থারে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাথে বাংলার “কন্যাশ্রী প্রকল্প” রাষ্ট্রসঙ্ঘে শিরোপা লাভ করেছিল। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে চালু করা কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার মেয়েদের প্রভূত উপকার হয়েছে। ২০১৩ সালে শুরু হওয়া এই কন্যাশ্রী প্রকল্পের দরুন রাজ্যে মেয়েদের স্কুল ছুট, বাল্যবিবাহের মতো সমস্যা অনেকটাই নিরসন হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসঙ্ঘের আমন্ত্রণে নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে, বিশ্বজন পরিষেবা ফোরামে বাংলার জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পগুলি সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা সরকারের আমলে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলি রাজ্যের মানবকল্যাণে কতটা সফল, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দেন তিনি। এবারে, “সবুজ সাথী প্রকল্প” এর এই সফলতায় স্বভাবতই গর্বিত বাংলা।