টানা চার বছর চেষ্টার পর অবশেষে ২০১৭ সালে উর্ত্তীন হয়ে আইএএস অফিসার হলেন সিরত ফতেমা

20
টানা চার বছর চেষ্টার পর অবশেষে ২০১৭ সালে উর্ত্তীন হয়ে আইএএস অফিসার হলেন সিরত ফতেমা

প্রবাদে আছে, “ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়, কোনো বাধাই বাধা নয়”। এরকমই এক অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং মানসিক জোরের গল্প নিয়ে এলেন উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদের বাসিন্দা সিরত ফতেমা। গল্প, হলেও কিন্তু তার প্রতিটি অক্ষর সত্যি। অদম্য ইচ্ছা শক্তির জোরে ২০১৪ সাল থেকে প্রতিবছর ইউপিএসসি পরীক্ষা দিয়ে অবশেষে ২০১৭ সালে উর্ত্তীন হয়ে ফতেমা এখন আইএএস অফিসার।

ফতেমার বাবা পেশায় একজন অ্যাকাউন্টেন্ট। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে ফতেমা যখন দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে হলেন, তখন তাদের সংসারের অবস্থা খুব খারাপ ছিল। এরপর বিএসসি পাস করে বিএড কোর্সে ভর্তি হন ফতেমা। সংসারের হাল ধরতে একটি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষিকার চাকরি করেন। প্রতিদিন দীর্ঘ আট মাইল পথ হেঁটে তিনি স্কুলে পৌঁছেছেন।

সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের মতনই যাতায়াতের খরচ বাঁচাতে দীর্ঘদিন আটমাইল করে পথ পাড়ি দিয়ে কর্ম ক্ষেত্রে পৌঁছেছেন ফতেমা। তারপর ফিরে এসেই রাত জেগে চলেছে দেশের সবথেকে কঠিন পরীক্ষা ইউপিএসসির প্রস্তুতি। শরীর যতই কাহিল হোক, চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তার মানসিক জোর ছিল অদম্য।

এই অদম্য ইচ্ছাশক্তির জেরেই ২০১৪ সাল থেকে ইউপিএসসি পরীক্ষা দিয়ে আসছেন ফতেমা। পরপর তিনবার অসফল হয়েও হার মানেনি তিনি। তার পরিবারের তরফ থেকে উদ্যোগ নিয়ে মাঝে তার বিয়েও দিয়ে দেওয়া হয়। সংসারজীবন যাপনের মাঝেও তিনি তার লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি। যার ফল পেয়েছেন ২০১৭ সালে। সারা দেশের মধ্যে ৮১০ রাঙ্ক করে আজ সিরত ফতেমা আইএএস অফিসার।