জ্যোতিষীদের মতে গ্রহ-নক্ষত্রের যোগই ডেকে এনেছে ঘূর্ণিঝড় এবং বিপর্যয়

12
জ্যোতিষীদের মতে গ্রহ-নক্ষত্রের যোগই ডেকে এনেছে ঘূর্ণিঝড় এবং বিপর্যয়

আমাদের জীবনের একটি বড় অংশ নির্ধারণ করে গ্রহ নক্ষত্র। বলা হয়েছে যে কোন গ্রহ নক্ষত্রের যোগ নাকি আমাদের জীবনে ভালো অথবা খারাপ খবর নিয়ে আসতে পারে। শুধু মানুষ নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নাকি নির্ধারণ করে এই গ্রহ-নক্ষত্রের যোগ। সম্প্রতী যে দুইটি ঘূর্ণি ঝড় বয়ে গেল ভারতবর্ষের উপর দিয়ে, তার উপরেও নাকি রয়েছে গ্রহ-নক্ষত্রের যোগ।

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে অনুযায়ী, বুধ শুক্র এবং দুর্যোগ চিরকাল ডেকে এনেছে ঘূর্ণিঝড় এবং বিপর্যয়। এদিনটি গ্রহের অবস্থান এর প্রভাব এই নাকি সমস্ত বিপর্যয় হচ্ছে। গতবছর আম্ফানের তান্ডব সময় ও নাকি এমনই তিনটি গ্রহ যোগ তৈরি করেছিল। সেই সময়ে নাকি রবি, চন্দ্র, বুধ, শুক্র, বৃষ রাশিতে অবস্থান করছিল।

চলতি বছরে ঝড় আছড়ে পড়ার সময়ও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বুধ এবং শুক্র রয়েছে বৃষ রাশিতে। সঙ্গে যোগ দিয়েছে রাহু। গতকাল প্রবেশ করেছে চন্দ্র। যার ফল হিসেবে আমাদের দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হয়েছে।

জ্যোতিষ বিদ রা জানাচ্ছেন যে, এই প্রথমবার নয় এর আগেও যখনই এই গ্রহগুলি একত্রিত হয়েছে তখনই কোনো না কোনো বড় বিরাট বিপর্যয় ডেকে এনেছে পৃথিবীর উপর। ২০১৯ সালে উড়িষ্যায় প্রথম আছড়ে পড়েছিল ফনি। তখন শুক্র বুধ এবং চন্দ্র একসাথে অবস্থান করছিল।

২০০৪ সালে সুনামি সময়েও ছিল নাকি বুধ এবং শুক্র একই স্থানে। কিন্তু অনেকেই জ্যোতিষশাস্ত্রের এই যুক্তি মানতে নারাজ। আবহাওয়াবিদ এবং বিজ্ঞানীরা অনেক আগেই অন্য এক আশঙ্কার কথা শুনিয়ে রেখেছে সকলকে।

বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ শুরু হয়েছে জোয়ার। যা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছে সকাল ১০টা ৪৮ নাগাদ। সন্ধে ৬টার খানিক পরই ভাটার জেরে জলতল একেবারে নিচে নেমে যাবে। এরপর আবারও শুরু হবে জোয়ারের প্রভাব। যা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছতে ঘড়ির কাঁটায় বাজবে রাত ১১টা ৪। অন্যদিকে বেলা ৩:১৫ মিনিট থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী থাকবে বিশ্ব। যা চলবে সন্ধে ৬টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত। এটিই চলতি বছরের প্রথম ও শেষ ‘ব্লাড মুন’। এই সময় স্বাভাবিকভাবে জলোচ্ছ্বাস বেশি হবে। বাড়তে পারে ঝড়ের দাপট।