ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত এলাকা ও বাঁধ পরিদর্শন করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

6
ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত এলাকা ও বাঁধ পরিদর্শন করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের দাপটে সারা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ জেলা হল উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর। এই তিন জেলায় যে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল সেই বাঁধ ঘূর্ণিঝড়ের দাপট সামলাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। যে কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বহু মানুষ। বৃহস্পতিবার তাজপুরের ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সবকিছু পরিদর্শন করে শেষমেষ প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দুষলেন তিনি।

ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য বৃহস্পতিবার প্রথমে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তিনি বেলা ১ টা নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুরের তাজপুরে পৌঁছান। সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন অভিষেক। তাদের অভাব অভিযোগ শুনেছেন তিনি। পাশে থাকার এবং সাহায্য করার আশ্বাসবাণীও দিয়েছেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবার ওই এলাকায় বাঁধ নির্মাণের আবেদন জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, রাজ্য সরকার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাঁধ নির্মাণ করবেন। এর আগে যারা বাঁধ নির্মাণ করেছিলেন তাদের দুর্নীতি ধরা হবে। একই সঙ্গে নতুন করে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শঙ্করপুর-তাজপুর রাস্তা নির্মাণ হয়েছিল কিছুদিন আগেই। তবে ঘূর্ণি ঝড়ের তাণ্ডবে সেই রাস্তা ভেঙে গিয়েছে। রাস্তা এবং বাঁধের এমন বেহাল দশা দেখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জানতে পারেন সেচ দপ্তরের আওতায় বাঁধ বানানো হয়েছিল। আর শঙ্করপুর-তাজপুর উন্নয়ন পর্ষদের আওতায় রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিল। এরপরই শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে তাদের একহাত নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন তিনি বলেন, যারা এই বাঁধ এবং রাস্তা নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন তারা আসলে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করেছেন। নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এরা নিজেদের মেরুদন্ড বিকিয়ে অন্য দলে যোগদান করেছেন। এর থেকে লজ্জা জনক কিছু হতে পারে না।