এক যুবক আবর্জনা সংগ্রহের কাজে লাগিয়ে দিলেন বিএমডব্লিউ গাড়ি, যা দেখে হতবাক সকলে

16
এক যুবক আবর্জনা সংগ্রহের কাজে লাগিয়ে দিলেন বিএমডব্লিউ গাড়ি, যা দেখে হতবাক সকলে

সম্প্রতি রাঁচিতে দেখা গেল একেবারে অন্যরকম দৃশ্য। যেকোনো মানুষের একটি স্বপ্ন থাকে পরিবারের সঙ্গে নিজের গাড়ি করে ঘুরে বেড়ানো। কিন্তু স্বপ্ন সকলেরই সাধ্যের মধ্যে থাকে। তাই বিএমডব্লিউ স্বপ্ন থাকলেও সেটি পূরণ করার সাধ্য থাকেনা কারোর। এ রকমই একজন বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ করে ময়লা-আবর্জনা নিয়ে যেতে দেখা গেছে একজন যুবককে। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে জড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে যান আশেপাশের মানুষেরা। প্রত্যেকে অবাক হয়ে দেখেন এই কর্মকাণ্ড। রাঁচির এই যুবকের নাম প্রিন্স শ্রীবাস্তব। তার কর্মকাণ্ড দেখে রীতিমত অবাক হয়ে যান সকলে।

পরে জানা গিয়েছে যে, পৃন্স শ্রীবাস্তবের বাড়িতে রয়েছে দুটি বিএমডাব্লিউ কার। তার মধ্যে একটি তিনি তার বাবাকে উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু গাড়ি কেনার পর নানা ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তাকে। এরপর বিএমডব্লিউ সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে কোনো রকম লাভ হয়নি। মাসের অর্ধেক দিন সার্ভিস সেন্টারে পড়ে থাকত তার গাড়ি। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে এই গাড়িটি বের করার জন্য একজন লোক দরকার। স্বাভাবিকভাবে খুব মন খারাপ হয়ে যায় যুবকের।

এই গাড়ি ঠিক করার চেষ্টায় বহু টাকা খরচ হয়ে গেছে তার। একইসঙ্গে ওয়াকসপ এর মালিকের ব্যবহারও খুবই খারাপ বলে জানিয়েছে যুবক। তাই এই বিরক্তির জন্য সকলকে সচেতন করে দেবার জন্য দ্বিতীয় বিএমডব্লিউ গাড়িটি আবর্জনা সংগ্রহের কাজে লাগিয়ে দেন তিনি। তিনি সকলকে বারবার সাবধান করে বলেন যে, কোনদিন যেন কেউ ভুলেও রাঁচির শোরুম থেকে বিএমডব্লিউ না কেনেন।

প্রিন্স শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন যে, ক্রিকেটার ঈশান কিষান ও নিজের গাড়ি নিয়ে একই অভিযোগ রয়েছে। তাকেও বারবার গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীবাস্তব। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বারবার অভিযোগ করার পর প্রাচীর সার্ভিস সেন্টার থেকে কোনরকম সন্তোসজনক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বারবার তাকে ঘোরানো হয়েছে।

প্লিজ বলেছেন যে, তার কাছে সমস্ত লিখিত কাগজ রয়েছে। যদি তিনি এই সমস্যার কোনরকম সমাধান না পান তাহলে আগামী কিছুদিনের মধ্যে তিনি আদালতে যাবেন। তার কাছে সমস্ত লিখিত কাগজ থাকার ফলে তার শোরুম এর বিরুদ্ধে কেস করতে কোন রকম অসুবিধা হবে না।