ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির চাকরির সুপারিশ পত্র লিখে দিয়ে বিতর্কে পড়লেন রাজ্যের এক প্রতিমন্ত্রী

7
ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির চাকরির সুপারিশ পত্র লিখে দিয়ে বিতর্কে পড়লেন রাজ্যের এক প্রতিমন্ত্রী

ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির চাকরির সুপারিশ পত্র লিখে দিয়ে কার্যত বিতর্কের মুখে পড়ে গিয়েছেন রাজ্যের সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। যদিও তিনি অবশ্য এই দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করছেন। তবে বিরোধীরা তাকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না। সাবিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের নির্বাহী বাস্তুকারের উদ্দেশ্যে নিজের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির চাকরির সুপারিশপত্র দিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই চিঠি।

উক্ত চিঠির নিচে সাবিনার সই এবং সিলও রয়েছে। যা থেকে বিতর্ক আরও বাড়ছে। ওই চিঠির বয়ান অনুসারে, জোতকরম চৌধুরীটোলার বাসিন্দা সুব্রত ঘোষ নামের জনৈক ব্যক্তি সাবিনার পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠ। ওই ব্যক্তি অত্যন্ত দরিদ্র এবং বেকার হওয়াতে চাকরির জন্য সুপারিশ করেছেন সাবিনা। উক্ত দপ্তরের বাস্তুকারের উদ্দেশ্যে সাবিনার অনুরোধ, তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে যেন সিকিউরিটি গার্ড বা অপারেটার বা প্ল্যান্টের যেকোনও কাজে নিয়োগ করা হয়।

চিঠিটি অবশ্য নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর আগেই ভাইরাল হয়ে যায়। যার ফলে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রশাসনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠতে থাকে। রাজ্যের একজন মন্ত্রী হয়ে কিভাবে এমন পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারেন সাবিনা? এই প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। তবে সাবিনা অবশ্য তার বিরুদ্ধে ওঠা এই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়েছেন। তার দাবি, রাজনৈতিক মহলে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

সাবিনা পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছানোর আগেই চিঠিটি কিভাবে ভাইরাল হয়ে গেল? সাবিনার অভিযোগ, ওই ব্যক্তি আসলে চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, সাবিনার বিরুদ্ধে শোরগোল তোলার জন্যই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি আরও জানালেন, এই চিঠিটি তার লেখা নয়। চিঠির নিচে যে সই রয়েছে তাও জাল বলে দাবি করেছেন তিনি। ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশের কাছে তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন।