হাতে নিয়োগ পএ পেলেও স্কুল খুঁজে পাননি পশ্চিম মেদিনীপুরের এক বাসিন্দা, এসএসসির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে অভিযোগ

8
হাতে নিয়োগ পএ পেলেও স্কুল খুঁজে পাননি পশ্চিম মেদিনীপুরের এক বাসিন্দা, এসএসসির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে অভিযোগ

রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া টেট নিয়ে ইতিপূর্বে বহুদিন ধরে বহু তরজা চলেছে। সম্প্রতি সকল দুর্নীতি দূর করে নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। তবে এবার এসএসসির বিরুদ্ধে একেবারেই নতুন এবং অভিনব অভিযোগ দায়ের করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র কুইলা নামক এক ব্যক্তি। বিগত তিন বছর আগে একটি স্কুলের হেডমাস্টার পদে নিয়োগ হয়েছেন তিনি।

কিন্তু যে স্কুলের জন্য তাকে নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়েছে সেরকম কোনো স্কুলের অস্তিত্বই তিনি তিন বছরে খুঁজে পাননি! এমনই ভয়ঙ্কর অভিযোগ দায়ের করছেন গোপালবাবু। এমন অদ্ভুত ঘটনার সূত্রপাত আজ থেকে তিন বছর আগে, ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফ থেকে আয়োজিত ‘প্রথম স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্ট’-এ উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। এরপর, ২০১৯-এর ২১শে আগস্ট তাঁকে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন।

এসএসসির ওই নিয়োগপত্রে সাফ জানানো হয়েছে ঝাড়গ্রামের মুরার আশুমুরার আশুতোষ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে গোপাল চন্দ্র কুইলাকে। বিনপুর ১ নম্বর ব্লকের রামগড়ে ওই স্কুলটি অবস্থিত বলে ঠিকানায় জানানো হয়েছে। তবে গোলমাল বাঁধে তখন যখন গোপালবাবু ওই এলাকায় গিয়ে এই নামে কোনো স্কুল খুঁজে পেলেন না তখন। তিনি ওই স্থান তন্নতন্ন করে খুঁজেও এই নামে তিনি ওই স্থানে কোনো স্কুল খুঁজে পাননি।

হাতে নিয়োগপত্র পেয়েও যখন তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করতে পারেননি তখন তিনি কমিশনের কাছে নিজের অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়টি বারবার কমিশনের নজরে আনা সত্ত্বেও তিনি এর পরিপ্রেক্ষিতে কোনো উপযুক্ত জবাব পাননি। তাই শেষমেষ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছে গোপালবাবুকে। হাইকোর্টের তরফ থেকে কমিশনের কাছে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জবাব চাওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ই জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।