সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের গরয়ালে এক বিরল মথ দেখতে পাওয়া গেল, এর আগে দেখা গিয়েছিল ১৮৯০ সালে

8
সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের গরয়ালে এক বিরল মথ দেখতে পাওয়া গেল, এর আগে দেখা গিয়েছিল ১৮৯০ সালে

প্রকৃতির বুকে আমার অনেক আশ্চর্য জীবজন্তু বাস করে তাদের অর্ধেকের কথা আমরা জানি না। কখনো আফ্রিকার ঘন জঙ্গলে অথবা আমাজনের জঙ্গলে গেলে পাওয়া যাবে সেই সমস্ত জীব জন্তুর হদিশ। সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের গরয়ালে একটি বিশেষ ধরনের মথ দেখতে পাওয়া গেল। ইতিমধ্যেই জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে এই বিশেষ প্রাণীটিকে নিয়ে তৈরি হয়ে গেছে উৎসাহ। এই প্রথম এই রকম বিশেষ ধরনের মথ দেখতে পাওয়া গেল। ইতিমধ্যেই এটিকে নিয়ে শুরু হয়ে গেছে বিভিন্ন গবেষণা।

জানতে পারা গেছে, এই বিশেষ ধরনের অজ্ঞাতপরিচয় প্রাণীটির নাম achelura bifasciata। এর আগেও বহুবার হিমালয়ের কোলে বিভিন্ন অজ্ঞাতপরিচয় প্রাণীর দেখা পাওয়া গেছিল। এবার এই প্রাণীটিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র আকর্ষণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশেষ প্রকার মথ টিকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৮৯০ সালে কুমায়ুন অঞ্চলে।

আবার এত বছর পর আবার তাকে দেখা গেল গারোয়ালের শ্রীদেব সুমন তিতলি পার্কে। কিন্তু কীভাবে এই এলাকাতে এই বিরল প্রকৃতির মথ এলো তা নিয়ে আছে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে গবেষণা।

বিজ্ঞানীদের মতে, ১৮৯০ সালে একজন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞ নৈনিতালে এই বিরল প্রকৃতির প্রাণীটিকে আবিষ্কার করে রেকর্ড তৈরি করেছিল।

এই প্রাণীটি ছাড়াও বিশেষজ্ঞদের নজরে এসেছে আরও একটি বিশেষ প্রজাপতি। যার নাম দেওয়া হয়েছে tawny rajah। এই বিশাল প্রজাপতির রং কমলা। এত বড় প্রজাপতি এর আগে কখনো দেখা যায়নি। বিগত ১৫ দিন ধরে বেশকিছু অজ্ঞাত পরিচয় মথ এবং প্রজাপতি দেখা যাচ্ছে গারোয়ালের বিভিন্ন অঞ্চলে।

ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞদের তরফ থেকে শুরু হয়ে গেছে গবেষণা। মূলত এই মথ টিকে পাওয়া যায় উত্তর-পূর্বে। কিন্তু সেখান থেকে কিভাবে উত্তরপ্রদেশে এটি এলো তা এখন ভাবাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের। যারা গারোয়ালের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রকৃতি সংরক্ষণ এর কাজ করছেন, এটি তাদের পরিশ্রমের ফল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সবকিছু মিলিয়ে এই বিষয়টিকে নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে উত্তেজনা।