বৃহস্পতির বড় উপগ্রহ থেকে ভেসে আসছে এক রেডিও সংকেত, জল্পনা বাড়াল বিজ্ঞানীদের

16
বৃহস্পতির বড় উপগ্রহ থেকে ভেসে আসছে এক রেডিও সংকেত, জল্পনা বাড়াল বিজ্ঞানীদের

অসীম এই মহাশূন্যের রহস্য এখনও অধরা। বেশ কয়েকশো বছর ধরেই মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মহাকাশ সম্পর্কে গবেষণা করে আসছেন। প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটেছে, পৃথিবীর মানুষ পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে মহাকাশে পা রেখেছে। ভিনগ্রহে পা রেখেছে। তা সত্বেও মহাকাশের বহু রহস্য এখনও রহস্যই থেকে গিয়েছে। তবে সকল রহস্যের সেরা রহস্য হলো ভিনগ্রহীদের রহস্য। প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই পৃথিবীর মানুষ ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বে বিশ্বাসী।

এখনো বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষই ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন। তাদের আশা, ভবিষ্যতে কোনো এক সময় ভিনগ্রহীরা তাদের মহাকাশযানে চড়ে পৃথিবীতে আসবে! উল্টোটাও অবশ্য ঘটতে পারে। মানে ভিনগ্রহীদের রাজত্বে পৃথিবীর মানুষের যাতায়াত চলতেই পারে। বৈজ্ঞানিকরাও অবশ্য নিরলস ভাবে ভিনগ্রহীদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সৌরজগতে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বের প্রমাণ এখনো মেলেনি। তবে সেই সৌরজগতের মধ্যে থেকেই এবার এক রেডিও সংকেত ভেসে এলো। নাসার জুনো মহাকাশযানের রাডারে ধরা পড়েছে সেই সংকেত। নাসার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতির সবথেকে বড় উপগ্রহ গ্যানিমিড থেকেই এই সংকেত ভেসে আসছে। স্বভাবতই মহাকাশ প্রেমীরা আশা করেছিলেন, গ্যানিমিডে বসবাসকারী ভিনগ্রহীরাই তাহলে এই সংকেত প্রেরণ করেছে!

তবে আদপে তেমনটা হয়নি বলেই জানাচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা! ভিনগ্রহীদের জল্পনায় কার্যত এক প্রকার জল ঢেলে দিয়েই তারা জানালেন, গ্যানিমিডের তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্র থেকেই একেবারে প্রাকৃতিক ভাবেই এই সংকেত ভেসে এসেছে। এই সংকেত বিশ্লেষণ করে নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এর থেকে অবশ্য ভিনগ্রহীদের সন্ধান পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।