বিয়ের একমাস পরেই সূর্যাস্তের সামনে বেবি পাম্প নিয়ে দাঁড়ালেন দিয়া মির্জা

12
বিয়ের একমাস পরেই সূর্যাস্তের সামনে বেবি পাম্প নিয়ে দাঁড়ালেন দিয়া মির্জা

দিয়া মির্জা, যিনি এক কথায় অসাধারন একজন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন বিশ্বসুন্দরী ও বটে। আজও তার অভিনীত রেহেনা হে তেরে দিল মে, সিনেমাটি দেখলে চোখে জল চলে আসে আমাদের। মাধুবনের সঙ্গে তার জুটি সেই সময় পছন্দ করেছিল সকলে। তবে সেই অর্থে সিনেমা জগতের সফলতা অর্জন করতে পারেননি তিনি। বেশ কয়েকটি অসাধারণ সিনেমা দিয়েই আচমকা সিনেমা জগৎ থেকে সরে গিয়েছিলেন তিনি।

সম্প্রতি গত ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন দিয়া মির্জা। বৈভব রেখির সাথে চার বছরের প্রেম অবশেষে পেল সামাজিক স্বীকৃতি। গত পনেরোই ফেব্রুয়ারি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুধুমাত্র দেখা গিয়েছিল দিয়া মির্জার বিবাহের ছবি। লাল বেনারসি, মাথায় টিকলি এবং লাল ওড়না পড়ে তাকে দেখতে লাগছিল অসাধারণ। সমস্ত রীতিনীতি মেনে চার হাত এক হয়েছিল তাদের। এমনকি দিয়া মির্জার বিয়েতে মহিলা পুরোহিত আলাদা ভাবে নজর কেড়েছিল সকলের।

বিবাহের পর স্বাভাবিকভাবেই অন্য সমস্ত দম্পতির মতোই হানিমুনে গিয়েছিলেন দিয়া মির্জা। তবে এক্ষেত্রে তারা সঙ্গে নিয়েছিলেন বৈভবের আগের পক্ষের মেয়েকে। তিনজনে মালদ্বীপে গিয়ে কাটিয়ে দেন ছোট্ট একটি হানিমুন। মালদ্বীপে হানিমুনের বিভিন্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

তবে সম্প্রতি যে ছবিতে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে উত্তাল সৃষ্টি করেছে তা হল দিয়া মির্জার নতুন পোস্ট করা একটি ছবি। যে ছবিতে মালদ্বীপে সূর্যাস্তের সামনে দাঁড়িয়ে দেখা গেল দিয়া মির্জা কে। বেবি পাম্প এর ছবি পোস্ট করে দিয়া লিখেছেন, এটা আমার কাছে এটি আশীর্বাদ এর মত। নতুন জীবন নিয়ে আমার নতুন জীবনের শুরু। ঘুম পাড়ানি গান, নতুন গল্প, নতুন অনুভূতি। আমার গর্ভে আমার জীবনের আরও একটি স্বপ্নের শুরু।

ছবিটি বোঝা যাচ্ছে যে বিয়ের পরেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছেন দিয়া মির্জা। সম্পূর্ণ সাংসারিক মনোভাব নিয়ে তিনি বিয়ে করেছেন। বহুদিন আগেই তিনি বিদায় জানিয়ে ছিলেন সোনালী পর্দাকে। এবার স্বামী সন্তানকে নিয়ে সুখে ঘর সংসার করার স্বপ্ন দেখছেন দিয়া মির্জা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বামীর সঙ্গে একটি পার্টিতে দেখা হয়েছিল দিয়ার। সেখানেই আলাপ হয়েছিল তাদের। দিয়া মির্জা কে দেখে এক নজরেই প্রেমে পড়ে যান বৈভব। বলিউডের গল্প নিয়েই প্রথমে আলাপ জমাতে গিয়েছিলেন তিনি দিয়া মির্জার সঙ্গে। আস্তে আস্তে আলাপ পরিণত হয় প্রেমে। অবশেষে নতুন বছরের নতুন ভাবে তারা জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিলেন। একইসঙ্গে পরপর দুটি খুশির খবর তাদের জীবনের অর্থ একেবারেই পাল্টে দিল।