একসঙ্গে তিনটি পুত্রসন্তান পেয়ে খুশিতে আত্মহারা এক ব্যক্তি

14
একসঙ্গে তিনটি পুত্রসন্তান পেয়ে খুশিতে আত্মহারা এক ব্যক্তি

এখনো বহু পরিবারের রীতি রয়েছে একটি কন্যা সন্তান হোক কিংবা পাঁচটা, বংশের রক্ষা করে একমাত্র ছেলে। আজ প্রতিটি ছেলের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে মেয়েরা। যুদ্ধের ময়দানে লড়াই করা হোক কিংবা একা হাতে রাজনীতি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া, সবকিছুতেই মেয়েরা কোন অংশে কম নয় ছেলেদের থেকে।

কিন্তু এই সবকিছু নিয়ে মোটেই মাথা ঘামাতে প্রস্তুত নয় বাংলাদেশের হেলাল উদ্দিন। নাটোরের বাগাতিপাড়ার কোয়ালি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন এবং তার স্ত্রী জলি বেগম। ২০০১ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। বিয়ের কিছুদিন পর প্রথম কন্যা সন্তানের জন্ম হয় তাদের ঘরে। কিন্তু কন্যা সন্তান লাভে খুব একটা খুশি হয়নি হেলাল উদ্দিন। এরপর একটি পুত্র সন্তানের আশায় পরপর তিনটি মেয়ের বাবা হয় হেলাল উদ্দিন।

বারবার আশাহত হলেও কিছুতেই হার মানতে রাজী হয়না বাংলাদেশের এই ব্যক্তি। চতুর্থবার সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন ৩৮ বছরের জলি বেগম। এরপর স্বামীর ইচ্ছে শুনে ভগবান একটু বেশি খুশি হয়ে তাদের ঘরে পাঠিয়ে দেন তিনটি পুত্র সন্তানকে। একসঙ্গে তিন ছেলের বাবা হয়ে স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ ধরে রাখতে পারছেনা হেলাল উদ্দিন। মা এবং তিনটি পুত্রসন্তান একেবারেই সুস্থ আছে বলে জানা গেছে হাসপাতলে তরফ থেকে।

স্থানীয় একটি কারিগরি কলেজের ল্যাব সহকারী পদে চাকরি করেন হেলাল উদ্দিন। বিবাহের পর থেকে পুত্রসন্তানের প্রত্যাশায় একমাত্র রোজগেরে পরিবারের সদস্যসংখ্যা হয়ে দাঁড়ায় ৮। কিন্তু তাতে একটুও আক্ষেপ নেই তার। ভবিষ্যতের কথা মাথায় না নিয়ে এসে একসঙ্গে তিনটি পুত্রসন্তান পেয়ে রীতিমতো খুশিতে ডগোমগো হয়ে পড়েছেন তিনি। যে যাই বলুক না কেন, তাতে মোটেই পাত্তা দিতে রাজি নয় হেলাল উদ্দিন। বিবাহের এতদিন পর তার সাধ পূরণ হওয়ায় সেই খুশিতে ডুবে আছেন বাংলাদেশের এই বাসিন্দা।