রমনীর গুনে নয় সংসার সুখী হয় মোটা ইনকামে, সম্প্রতি এমনটাই জানাল একদল গবেষক

7
রমনীর গুনে নয় সংসার সুখী হয় মোটা ইনকামে, সম্প্রতি এমনটাই জানাল একদল গবেষক

যতই আমরা জেনে থাকি, সংসার সুখী হয় রমনীর গুনে, কথাটি কিছুটা সত্যি হলেও পুরোটা কিন্তু সত্যি নয় সংসারের সুখ আসে মোটা ইনকামে।

সম্প্রতি এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, যেকোনো স্বামী এবং স্ত্রীর সংসার টিকে থাকে পুরুষের মোটা ইনকামের উপর।

হার্বাট বিশ্ববিদ্যালয় এক প্রতিবেদনে র বলা হয়েছে যে, সংসার টিকে থাকার পেছনে সবথেকে বেশি অবদান রয়েছে পুরুষের রোজগার। একটি পুরুষ মাসে কত টাকা উপার্জন করে, তার ওপরই নির্ভর করে সংসারের সুখ এবং স্বাচ্ছন্দ। হারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আলেকজান্ডার ১৯৭০ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার ৩০০ জন দম্পতির ওপর তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এনাদের ওপর গবেষণা করতে গিয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্তে এসেছেন।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫১.৮ শতাংশ। এখনো পর্যন্ত মালদ্বীপ রয়েছে বিবাহবিচ্ছেদের দিক থেকে সবার উপরে। মালদ্বীপের প্রতি ৩০ জনের মধ্যে তিনজন দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে থাকে। যদিও বিবাহবিচ্ছেদের পেছনে আরো অনেক কারণ রয়েছে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষের অল্প রোজগার এবং বেকারত্ব প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

গবেষণায় আরও জানা যায় যে, যে সমস্ত পুরুষেরা পার্টটাইম চাকরি করে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের আশঙ্কা সবথেকে বেশি হয়। এই সমস্ত পুরুষেরা সংসারে সচ্ছলতা আনার জন্য সবসময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে থাকেন। তার ফলে তাদের বিবাহিত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। অন্যদিকে, একজন নারীর কর্মজীবন তার ব্যক্তি জীবনে সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারে না।

একজন নারী ঘর এবং অফিস সমানতালে সামলাতে পারে। তাদের অল্প রোজগার হলেও কখনও বিবাহবিচ্ছেদের আশঙ্কা থাকে না। শুধুমাত্র বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এমন নয়, যারা প্রেম করছেন তাদের ক্ষেত্রেও অনেক সময় বিচ্ছেদ ঘটে থাকে সেই একই কারণে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, একজন পুরুষ যত সুন্দর দেখতে হোক না কেন একজন নারী তার প্রেমে পড়ার আগে অবশ্যই সেই পুরুষের সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বিচার করবে। আগে একজন নারী পুরুষের আর্থিক স্বচ্ছলতা বিচার করে, তারপর বিচার করে তার পারিবারিক বিষয়। ৭৫ শতাংশ নারী পুরুষের কর্মজীবনকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। একজন সফল পুলিশ সবসময় একজন সুন্দরী নারী পেতে পারে, কিন্তু অন্যদিকে একজন বেকার পুরুষ কখনোই একজন সুন্দরী নারী জীবনে পায় না।