পাকিস্তানে হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালালো একদল দুষ্কৃতী, ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়

7
পাকিস্তানে হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালালো একদল দুষ্কৃতী, ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রতি চরম মৌলবাদী মনোভাবের পরিচয় দিল পাকিস্তান। পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানতে হিন্দু দেবী মন্দিরে ভাঙচুর চালালো একদল দুষ্কৃতী। শুধু তাই নয়, চরম বর্বরতার পরিচয় দিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলা হলো দেবী হিংলাজ এবং তার বাহনের মাথা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু তিনদিন কেটে যাওয়ার পরেও অবশ্য এই ঘটনার জন্য কারোকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের সিন্ধুপ্রদেশের থারপারকার জেলার নাগরপারকার এলাকার মোয়া গ্রামে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, গত শুক্রবার অষ্টমী তিথি উপলক্ষে পুজো দিতে হিংলাজ দেবী মন্দিরে উপস্থিত হয়েছিলেন স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষেরা। অভিযোগ, পুজোর পরে আচমকাই মন্দির হামলা করে বসে একদল দুষ্কৃতী। মন্দিরে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি দেবী মূর্তিও বিনষ্ট করে তারা।

ঘটনার পরে পাকিস্তানের একজন সাংবাদিক নায়লা ইনায়েত টুইট করে জানান, নাগরপারকারের একটি হিন্দু মন্দিরে নবরাত্রির প্রার্থনার পরেই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়ে মন্দির এবং দেবী মূর্তির ভাঙচুর চালিয়েছে। উল্লেখ্য, ঘটনার পর এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি হতেই অবশ্য প্রশাসনের তরফ থেকে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করা হয়েছিল।

সিন্ধুপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পুঞ্জো ভিল এই ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন। তিনি আশ্বাস প্রদান করে জানিয়েছিলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। সিন্ধু প্রদেশের পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। দোষীদের শীঘ্র গ্রেফতার করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে ঘটনার পর তিন দিন কেটে গেলেও এখনো পর্যন্ত কারোকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।