বেআইনি ভাবে মজুত কয়েক শো গ্যাস সিলিন্ডার! বাজেয়াপ্ত করলো মেদিনীপুর পুলিশ

10
বেআইনি ভাবে মজুত কয়েক শো গ্যাস সিলিন্ডার! বাজেয়াপ্ত করলো মেদিনীপুর পুলিশ

রান্নার জন্য ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারের ক্রমাগত দাম বৃদ্ধিতে নাজেহাল মধ্যবিত্তরা। এরই মধ্যে আবার গ্যাস সরবরাহকারী এজেন্সির কালোবাজারির পর্দা ফাঁস হলো। গ্রাহকেরা যে এলপিজি সিলিন্ডার সংগ্রহ করছেন না, সেই সিলিন্ডার কম দামে এজেন্সি থেকে কিনে নিয়ে মজুত রাখছে বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। পরে সেই সিলিন্ডার চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। গোপন সূত্রে এই খবর জেনে একটি বেআইনি গোডাউনে হানা দিয়ে প্রায় কয়েক শো গ্যাস সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করেছে মেদিনীপুর পুলিশ।

গ্রাহকদের মধ্যে অনেকেই সারাবছর প্রাপ্য গ্যাস সিলিন্ডার এজেন্সি থেকে সংগ্রহ করেন না। সেই সিলিন্ডার সম্প্রতি কম মূল্যে কিনে নিয়েছিল এক ব্যক্তি। গ্রাহককে সামান্য মূল্য দিয়ে তার কাছ থেকে গ্যাস বই সংগ্রহ করে তার নামে তুলে নেওয়া হয় গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার। এমন বহু গ্রাহকের গ্যাস বুক সংগ্রহ করে তাদের প্রাপ্য সিলিন্ডার মজুদ করে রাখছিল মেদিনীপুরের এক ব্যবসায়ী। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে সে। তবে তাকে গ্রেপ্তার করার আগেই অভিযুক্ত পালিয়ে গিয়েছে।

তার গোডাউন থেকে বিভিন্ন গ্যাসের সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। প্রায় কয়েক শো এমন সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মেদিনীপুর পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার মেদিনীপুর শহরের নগারচক এলাকায়। এলাকার বাসিন্দা কুন্তল কোলামুড়ি নিজের বাড়িতে গ্যাস মজুদ করে রাখতেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

অভিযুক্তের স্ত্রী জানিয়েছেন সমস্ত গ্রাহক বছরে তাদের প্রাপ্য সব সিলিন্ডার তোলেন না। যতটা দরকার ততটাই গ্যাস সিলিন্ডার তোলেন তারা। বাকি গ্যাস সিলিন্ডার গ্রাহকের গ্যাস বই ব্যবহার করে তুলে নিতেন তার স্বামী। এরপর সেগুলিকে গোডাউনে মজুদ করে রাখা হতো। পরে সেগুলিকে প্রয়োজনমতো আবার বিক্রি করা হতো।