এক বিজেপ কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য রায়গঞ্জে! অভিযোগ তৃণমূলের দিকে

5
এক বিজেপ কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য রায়গঞ্জে! অভিযোগ তৃণমূলের দিকে

বিজেপ কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়গঞ্জে। শরীরের উপর TMC’র পতাকা। আবার বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে।

মঙ্গলবার রায়গঞ্জের গৌরি পঞ্চায়েত এলাকায় এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল। সকালে আমগাছে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে বছর পঞ্চান্নর দেবেশ বর্মনের দেহ। শরীরে উপর তৃণমূলের পতাকা রাখা। কিন্তু স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনি বিষ্ণুপুরে বিজেপির বুথ কর্মী ছিলেন। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠাতে গেলে ব্যাপক অশান্তির মধ্যে পড়ে পুলিশ। মৃতের দেহ ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় প্রতিবেশী, পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার সকালে রায়গঞ্জের দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে উদ্ধার হয়েছে দেবেশ বর্মনের দেহ। আমগাছের সঙ্গে বাঁধা ছিল ঝুলন্ত দেহটি। তবে মাটিতে তাঁর পা স্পর্শ করা ছিল। পরিবার সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধেবেলা চা খাওয়ার নাম করে সাইকেল করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন দেবেশবাবু। আর বাড়ি ফেরেননি। এদিন সকালে যেখান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, তারই অদূরে সাইকেলটি পাওয়া গিয়েছে। তাঁর দেহের উপর তৃণমূলের পতাকা রাখা ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। দেবেশবাবুর স্ত্রী ও তিন মেয়ে ও ছেলে রয়েছে। তবে তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে।

মৃতের স্ত্রী কলাবতী বর্মনের অভিযোগ, ”আমার স্বামীকে খুন করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।” ২০০৮ সালে সিপিএমের পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন দেবেশ বর্মন। পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। বিজেপির জেলা সভাপতি

বাসুদেব সরকারের অভিযোগ করে বলেন, “বিজেপি কর্মীকে বাড়ি থেকে ডেকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে খুনের প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই খুনে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জড়িত রয়েছে।” পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, “দেহ ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে মৃত্যুর কারণ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”