সীমান্ত পেরিয়ে ভারত হয়ে একেবারে আফগানিস্তান পৌঁছে গেল বাংলাদেশের ১৪ জন যুবক

22
সীমান্ত পেরিয়ে ভারত হয়ে একেবারে আফগানিস্তান পৌঁছে গেল বাংলাদেশের ১৪ জন যুবক

যেখানে সারা বিশ্ব ভয় পাচ্ছে যে, আফগানিস্তান যেকোনো সময়ে ভারতের ওপর আক্রমণ করতে পারে পাকিস্তান এবং চীনের সঙ্গে সঙ্গবদ্ধ হয়ে, সেখানে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে একেবারে আফগানিস্তান পৌঁছে গেল বাংলাদেশের ১৪ জন যুবক। তালিবানি আগ্রাসন শুরু হওয়ার আগেই তারা রওনা হয়ে গিয়েছিল আফগানিস্তানের উদ্দেশ্যে। কাবুল দখল করার আগেই তারা তালিবান শিবিরে যোগদান করেছেন। শুধুমাত্র বাংলাদেশি যুবক না, অসম থেকে চারজন যুবক জড়িয়েছেন জঙ্গি সংগঠনে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, ২১ জন যুবকের মধ্যে কেউ কেউ জঙ্গি হানায় রীতিমতো পটু। কাউকে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এই সমস্ত অপারেশন এর পেছনে রয়েছে বলেই দাবি করেছেন গোয়েন্দারা। তবে এর মধ্যে কেউ কেউ এর মধ্যেই অন্য রাজ্যে পা বাড়িয়েছেন কিনা তাই নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। অন্য রাজ্য থেকে আসা প্রত্যেক ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজর রাখবেন তারা।

গোয়েন্দা দপ্তর থেকে আরও খবর পাওয়া গেছে, তালিবান জঙ্গিরা কাবুল দখল করার কয়েকদিন আগেই ওই যুবকরা আফগানিস্তানের পথে পা বাড়িয়েছেন। ওই বাংলাদেশি যুবকের চোরাপথে আফগানিস্তানে গিয়েছিলেন বলে খবর পাওয়া গেছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, ওই যুবকেরা বিহার উত্তর প্রদেশ হয়ে জম্মু-কাশ্মীরে পৌঁছেছিলেন প্রথমে, তারপর তারা সেখান থেকে পাড়ি দেন আফগানিস্তানে।

ওই যুবকদের আগেই মগজ ধোলাই করে দিয়েছিল জামাতুল মুজাহিদিন বা জেএমবি এবং হুজি সংগঠন। এমতাবস্থায় চোরাপথে এই সমস্ত ব্যক্তিদের আফগানিস্তানের পাঠানোর পর তাদের অস্ত্র এবং বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়ে অন্য দেশে নাশকতা সৃষ্টির সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দের মতে, যেহেতু পাকিস্তান তালিবানের পাশেই রয়েছে, তাই এই যুবকদের আইএসআইয়ের কর্মকর্তারা মদদ দিচ্ছে। তালিবানদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর আরও একবার তারা ফিরে আসবে নিজেদের দেশে এবং বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হানা করবেন, এমনটাই আশঙ্কা করছেন সকলেই।